“ সময়টা ধর্মের বেড়াজাল ছিঁড়ে রাজনৈতিক বিভেদের উর্দ্ধে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মনুষ্যত্ব ও সমাজিক সুস্থতার খাতিরে ”- ববি চক্রবর্তী

“ সময়টা ধর্মের বেড়াজাল ছিঁড়ে রাজনৈতিক বিভেদের উর্দ্ধে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মনুষ্যত্ব ও সমাজিক সুস্থতার খাতিরে ”- ববি চক্রবর্তী

একাকিত্ব থেকে পর্নোগ্রাফি ,মদ-সিগারেট থেকে হিংসাত্মক ভিডিও গেম, সাইবার বুলিং থেকে মেকি অনুভুতি ,সমস্ত জনপ্রিয় ক্ষতিকারক ধারনার নিয়ে ফোনের অপরপ্রান্তে উঁকি দিলেন একজন সফল অভিনেতা ,এসএমপিএআই এর দক্ষ প্রশিক্ষক তথা সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ববি চক্রবর্তী সঙ্গে আনন্দ সংবাদ লাইভ-এর প্রতিনিধি আলাপন রায়

প্রশ্নঃ দেশের এইরকম শোচনীয় অবস্থায় কেমন অনুভব করছেন ?

ববিঃ কেমন অনুভব করা যায় ! সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ, বলতে গেলে একপ্রকার গৃহবন্দি ,সময়টা কোনো দেশবাসীর পক্ষে খুব সুখকর নয় । কিন্তু জীবনে আমি একটা কথা সবসময় মাথায় রেখেছি, যতই প্রতিকূল পরিস্থিতি হোক না কেন,আমাদের সবসময় সেটা থেকে ভালো জিনিসটা টেনে বের করা উচিত । যদি সেটা না করতে পারি তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াবে । এটা মেনে নিতে হবে,অনেক কিছুই আমাদের নিয়ন্ত্রনে নেই । এত শীঘ্রই যদি হাল ছেড়ে দেয় তবে সামনে আগত কঠিন সময়ে লড়াই করার মনোবল পাবো কোথা থেকে । নিজের শারীরিক ও মানুষিক স্বাস্থ্যের উপর খেয়াল রাখতে হবে । এত সহজে হাল ছাড়লে চলবে না ।

প্রশ্নঃ বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন কী করে ?

ববিঃ আমার অনেক শখ আছে । কবিতা পড়া, গান গাওয়া, ছবি আঁকা, সিনেমা দেখা, যেগুলো সময়ের অভাবে করে উঠতে পারতাম না, এখন সেগুলো করছি । নিজেকে অনেক সময় দিচ্ছি , পরিবারকে অনেক সময় দিচ্ছি । এছাড়া আমি বহুদিন ধরে একটা সোশ্যাল কাজের সাথে যুক্ত ,অনেকেই জানে সেটা । আমি অনলাইনে একটা প্রোগ্রাম চালাই যার নাম হার্ট মাইন্ড অ্যান্ড সোল । মজার ছলে এটা শুরু করেছিলাম কিন্তু তারপর দেখি দর্শক এটাকে পচ্ছন্দ করছে । আমি ও আমার এক খুদে বন্ধু, ১৩ বর্ষীয় সুমিত ভট্টাচার্য্য , আমরা দুজনে মিলে্ অনলাইনে এই প্রোগ্রামটা চালাই ।

প্রশ্নঃ এই সোশ্যাল কাম্পেনে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় ?

ববিঃ বর্তমান সমাজের জনপ্রিয় ক্ষতিকারক ধারনার বিরুদ্ধে আমার লড়াই হল এই প্রোগ্রামটা । সুমিত ভট্টাচার্য্য হল এই প্রোগ্রামের সঞ্চালক ও আমার সোশ্যাল ওয়ার্কের অন্যতম উল্লেখযোগ্য সৈনিক । অসম্ভব ভালো একটা ছেলে, এমন ছেলে সমাজে আরও কয়েকটা থাকলে সমাজটাই বদলে যেত । অনেকেই ভাবে আমার এই সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেস কাম্পেন শুধু সিগারেট কিম্বা অ্যালকোহলের বিরুদ্ধে ,যেটা পুরোপুরি ভুল । এই ছাড়া আরও অনেক ক্ষতিকারক নেশার দ্রব্য আছে যা বর্তমান প্রজন্মকে কুরে কুরে খাচ্ছে । পর্নোগ্রাফি, কু ভাষার প্রয়োগ, লিঙ্গ-বয়স নির্বিশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে বাজেভাবে আক্রমন করা, এখন একটা চল হয়ে দাঁড়িয়েছে । যে যত বেশি অপমান করতে পারবে সে তত বেশি জনপ্রিয় । এছাড়া হিংসাত্মক ভিডিও গেম, যেখানে একজন অন্য একজনকে মেরে আনন্দ পাচ্ছে । আর বাস্তবে যখন কেউ মারা যাচ্ছে তখন সেটাকে তারা অনুভব করতে পারছেনা । যুদ্ধটা এইসকল ধারনার বিরুদ্ধে । এখনো পর্যন্ত ৩৩০ টির বেশি স্কুল ও অনেক কলেজ গিয়ে আমি এইসকল ধারনার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে সমর্থ হয়েছি । এছাড়া এসএমপিএএই, যেখানে আমি অভিনয়ের প্রশিক্ষণ দেয় সেখানেও এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করি । যদি দুজন মানুষের ভাবনা চিন্তাও বদলাতে পারি তাহলেও নিজেকে সার্থক মনে করব । আসলে তুমি যদি নিজের মস্তিস্ককে ভালো কাজে না লাগাও তবে যতই প্রতিকূল অবস্থা হক না কেন, তুমি কোনোদিন ভালো থাকতে পারবেনা ।

প্রশ্নঃ এত ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারের জন্য সময় বের করছেন কীভাবে ?

ববিঃ আমি ছোটোবেলা থেকেই টাইম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপারে খুব সচেতন । কোনোকিছু প্রয়োজন অতিরিক্ত করি না যাতে জীবনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় । তাই হয়তো পেশাগত ও সামাজিক দায়িত্বগুলো পালন করেও পরিবারের খেয়াল রাখতে পারি । বাবার সাথে একটা ছোট্ট দুর্ঘটনা ঘটেছে,বাথ্রুমে পড়ে গিয়ে বাবার পায়ে লেগেছে । সেই জন্য বাবার দিকেও যথেষ্ট নজর দিচ্ছি । এইসময় কোনো মেডিকেল হেল্প পাচ্ছি না । তার মানে এই নয় যে প্রচণ্ড দুঃখ কষ্ট চিন্তায় আমাকে থাকতে হবে । কারণ আমি জানি আমি যদি হাসি খুশি না থাকি তবে ওরাও থাকতে পারবেনা । আমি যাদেরকে বা যারা আমাকে ভালোবাসে তাদের জন্য আমি সর্বদা সময় বের করতে রাজি আছি ।

প্রশ্নঃ পরিচারিকারা তো ছুটিতে ,তাহলে পরিবারকে কোন কোন কাজে সাহায্য করছেন ?

ববিঃ রান্না তো আমার প্রচণ্ড পচ্ছন্দের একটা বিষয় । রান্না করতে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে । জোর করে রান্না ঘরে ঢুকে পড়ে তা করছি । মাকেও রান্নার অনেক কাজে সাহায্য করছি । অভিনেতা হওয়ার আগে আমি একজন মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ছিলাম । তাই যেসকল দেশে গেছি সেখানকার যাবতীয় রান্নার রেসিপি ডায়রিতে নোট করে রেখেছি । সেইগুলো বাড়িতে এখন রান্না করার চেষ্টা করছি । আমার অনলাইন প্রোগ্রামেও আমি আর সুমিত একদিন রান্না নিয়ে একটা অনুষ্ঠান করেছি । যার জন্য অনেক ভালবাসাও পেয়েছি । রান্না ছাড়া বাড়ির নিত্য নৈমিতিক কাজ গুলোও করতে হচ্ছে । নিজের জামাকাপড়, বইপত্র এইগুলোকে গুছিয়ে রাখছি ।

প্রশ্নঃ নিজের পেশাগত কাজ থেকে দূরে আছেন, কোনো অবসাদ কাজ করছে কী ?

ববিঃ খারাপ লাগা তো সবসময় কাজ করছে । কিন্তু আগেও যেমন বলেছি, এটা আমাদের নিয়ন্ত্রনের মধ্যে নেই । জোরজবরদস্তি কিম্বা কুটনৈতিকভাবে কেউ আমাদেরকে বাড়িতে আটকে রাখেনি । আমরা গৃহবন্দী জীবন কাটাচ্ছি গোটা দেশের মঙ্গলার্থে, যাতে এই ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে । অমিতাভ বচ্চন ,শাহরুখ খানের মতো অনেক গুনী ব্যক্তিরাও আজ বাড়ীতে বসে আছে । যাদের কর্ম পরিধির আমার থেকে অনেক বেশি, তারাও বাড়ীতে বসে, সবার ভালোর জন্য । সুতরাং এটা নিয়ে কোনো নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা করছিনা ।

প্রশ্নঃ সরকারী নির্দেশ অনুযায়ী মদ বিক্রেতারা দোকান খুলে ফেলেছে । এ ব্যাপারে আপনার কী বক্তব্য ?

ববিঃ আমি নিজের সমস্ত বক্তব্যে এটাই বলি, আমরা কোনোদিন সিগারেট বা মদ বিক্রেতা কিম্বা সরকার বা কোনো সঙ্গকে দোষ দিতে পারিনা । শুধু এর জন্য নিজেকে দোষ দিতে পারি । আমরা জেনে শুনে স্বেচ্ছায় বিষ জেনেও যদি তা গ্রহন করে থাকি । আমার বিদ্যা আর বুদ্ধি বলে একচুমুকও যেমন বিষ এক গ্লাসও তেমন বিষ, আমি তা ছুঁয়েও দেখবনা । দোকান খুললে তাতে কী এসে যায়। নির্ভর করছে আমাদের উপর আমরা তা খাবো কী খাবো না ? অনেকেই ভাবে পার্টি করতে হলে কোনো বিশেষ মুহূর্তকে উদযাপন করতে হলে নেশা করা অতি আবশ্যক । কিন্তু আমি তো অনেক পার্টিতে যাই, যেখা্নে সবকিছু বিনামূল্যে হাতের নাগালের মধ্যে থাকে , তা পেয়ে কেন আমি ছুঁয়েও দেখিনা ? তারমানে কী আমি আনন্দ করিনা ? সেটা একদম ভুল ভাবনা , আমি ভীষণ আনন্দ করি, সেই বিশেষ মুহূর্তকে উপভোগ করি । কিন্তু তার মানে এই নয় যে বিষকে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করতে দেবে । যদি নিজের পেশা-স্বাস্থ্য-পরিবারকে ভালো রাখতে চাও তবে তোমার ইচ্ছাই হবে না এইগুলো ছুঁয়ে দেখার । এইগুলো ছাড়াও জীবনে সুখে শান্তিতে থাকা যায় ।

প্রশ্নঃ আপনি সমাজের যেসকল অন্ধকার দিকগুলোর কথা বললেন, এগুলো কেন হচ্ছে বলে মনে হয় ?

ববিঃ আমার মতে এর পিছনে অন্যতম কারণ হল অলসতা । কথায় আছে ,অলস মস্তিস্ক শয়তানের চায়ের দোকান । যদি তুমি একটা রাস্তার কুকুর না হতে চাও তবে ভুল পথে না গিয়ে সমাজের জন্য ভাল কিছু করার চেষ্টা করো । সমাজকে একটা সুস্থ-স্বাভাবিক নাগরিক উপহার দাও । আমরা কত ভাল কাজ করতে পারি । তার জন্যে দরকার সুস্থ মন মানুষিকতা । ইন্টারনেটকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে কত ভাল ভাল কাজ করা যায় । এর পিছনে আরও একটা কারণ আছে । নতুন প্রজন্মের সামনে ভালো সুযোগ না থাকা । যেখানে একজন দেখছে মাইকের সামনে বসে কেউ একজন অন্য কাউকে খুব বাজে ভাষায় আক্রমন করে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছে । অন্যের মান সম্মানকে মাটিতে ধূলিসাৎ করে একজন খ্যাতির শিখরে পৌছাচ্ছে ,এগুল নতুন প্রজন্মকে ভীষণভাবে উদ্্বুদ্ধ করছে । আমি শুধু এটাই বলতে চাই জনপ্রিয় হতে চাও ভালো কথা তবে অন্যকে ছোট করে,অপমান করে, কু-ভাষার প্রয়োগ ছাড়াও তা হওয়া যায় ।

প্রশ্নঃ সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে আমরা সবার সাথে অনেক বেশি যুক্ত থাকতে পারছি । তবে কেন আজকাল বেশিরভাগ মানুষ একাকীত্বে ভুগছে বলে আপনার মনে হয় ?

ববিঃ কারণটা হল আজকাল সবকিছু মেকি হয়ে যাচ্ছে । সেইজন্যেই তো এটাকে ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড বলে । অনুভূতিগুলো বড্ড বেশী নকল হয়ে যাচ্ছে । মেকি জনপ্রিয়তার লোভে আত্মসম্মানকে জলাঞ্জলি দিতে হচ্ছে । সম্পর্কের বাঁধনগুলো বড্ড ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে । “ আমি তোমাকে ভালোবাসি” কথাটা এত বেশিভাবে ব্যবহার হচ্ছে যে কথাটা নিজের গুরুত্ব হারিয়েছে । আমরা সমাজবদ্ধ জীব, আমাদের কিছু প্রাথমিক প্রবৃত্তি আছে যেগুলোর বিকল্প মেকি অনুভুতি হতে পারে না । দিনের শেষে যখন বুঝতে পারছি এগুলো কোনো কিছুই আসল নয় তখন একাকীত্বে ভুগতে হচ্ছে । কিন্তু মস্তিস্ক এই তাৎক্ষনিক মেকি আনন্দের নেশায় পড়ে যাচ্ছে । এই অনুভূতিগুলো খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে তখনি নিজেকে একা লাগছে । আমি যখন থেকে ব্যাপারটা বুঝতে শিখেছি তখন থেকে এটাকে মেলা গুরুত্ব দেওয়া ছেড়ে দিয়েছি । সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ যদি আমার প্রশংসা করে আমি খুব বেশি উৎসাহিত হই না বরং তাকে একটা ধন্যবাদ জানাই । আবার কেউ যদি খুব বাজেভাবে সমালোচনা করে তার জন্যেও গোটা আকাশ আমার মাথায় ভেঙে পড়ে না । কারন আমার মাথায় আছে এটা একটা নকল দুনিয়া । আমি জ্ঞানত কারো কোনো ক্ষতি করছিনা, ভালো কাজ করার চেষ্টা করছি, পরিশ্রম করে উপার্জন করি, বড়দের সম্মান ও ছোটদের ভালোবাসা দিই , এটাই আমার কাছে সবকিছু । আমি একজন নকল মানুষ নয় তাই নকল জিনিস নিয়ে বেশি মাথা ঘামাই না । তাই যার যতটা গুরুত্ব তাকে ততটাই দেয় ।

প্রশ্নঃ এর মধ্যে তো অনেক সুখবর পেয়েছেন, অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক মা হয়েছে । কী শুভেচ্ছাবার্তা দিতে চান ?

ববিঃ খবরটা শোনা মাত্রই আমি নিসপাল, কোয়েল, রঞ্জিত কাকু ও কাকিমা সবাইকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছি । এছাড়া “মাদার্স ডে” তে আমি নিজের মা ও পৃথিবীর অন্যসমস্ত মায়েদের উদ্দেশ্যে একটা গান গেয়েছি । সেটা কোয়েলকেও পাঠিয়েছি । এই কঠিন সময়ে অনেক কিছু ভালও হচ্ছে । আমার বাড়ির কাছে স্কুলে অনেক শ্রমিক আঁটকে আছে । আমার সামর্থ্য আছে একশো জনের একবেলার খাওয়ার ব্যবস্থা করা, আমি সেটা করেছি । আবার অনেকে দেখছি পশুপাখিদের খাওয়াচ্ছে , কেউ গরিবদের সাহায্যের জন্য নানা সামাজিক কাজকর্মের সাথে যুক্ত হচ্ছে । এভাবেই অনেকে চারিদিকে পজিটিভিটি ছড়িয়ে দিচ্ছে । জীবন মানে তো আলো অন্ধকার দুটোই থাকবে । তা বলে অন্ধকার দেখে ভয় পেলে চলবে না । কঠিন সময়ে এই ভাল খবর গুলোই তো লড়াই করার মনোবল দেবে ।

প্রশ্নঃ এই কঠিন সময়ের প্রভাব অভিনয় জগতের উপর কতটা পড়তে পারে বলে মনে হয় ?

ববিঃ বিরাট প্রভাব পড়বে বলে আমার মনে হয় । মানুষের মনে যে ভয় ঢুকেছে তাতে সিনেমা হলে, থিয়েটর প্রেক্ষাগৃহে যেকোনো অনুষ্ঠানে মানুষ যেতে ভয় পাবে । আমার বিশ্বাস সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে । যেহেতু এক অচেনা, অদৃশ্য শত্রুর সাথে আমরা প্রতিনিয়ত লড়ে চলেছি তাই ভয় পাওয়াটাও স্বাভাবিক । আর আমরা যারা ডেইলি ওয়ার্কার তারা তো সাময়িক একটা ধাক্কা পেয়েছি । কিন্তু ভয় পেলে চলবে না । নিশ্চয় এই ভাইরাসের সাথে লড়াই করার কোনো পন্থা আমরা খুঁজে বের করব । এই সময়টা সাময়িক , জীবনের শক্তি প্রচণ্ড কেউ তা আটকে রাখতে পারে না।

প্রশ্নঃ নিজের অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে কী বলতে চান ?

ববিঃ এটাই বলার সরকার যা বলছে সেটা মেনে চলুন । সরকারি নির্দেশিকাগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করুন । সময়টা ধর্মের বেড়াজাল ছিঁড়ে রাজনৈতিক বিভেদের উর্দ্ধে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মনুষ্যত্ব ও সমাজিক সুস্থতার খাতিরে ।

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *