‘চুপকথা’- ‘নিজের দেশে আটকে’

‘চুপকথা’- ‘নিজের দেশে আটকে’

✍️অন্তরা মুখার্জি

সৌম্য সেনগুপ্তের স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি ‘চুপকথা’ মুক্তি পেল addatimes এ সদ্য। এই মুক্তি দর্শকদের বন্দি করে লাল-নীল-কালো-ধূসর রঙে গাঁথা গগনচুম্বী ইমারতের এক চৌকো আস্তানায়। অরুণ- সংঘমিত্রা-আরাধ্যার সাজানো পারিবারিক ছবির কোলাজ এক নিমেষেই পরিচয় করায় অন্য আরেকটা পরিবারের সঙ্গে, যাদের মনের অলি গলির ঠিকানা, বর্তমান পরিস্থিতে, ষোল আনায় বারো আনাই ফাঁকি পরে যাচ্ছে। পারিবারিক ছবির ফ্রেম দিয়ে এই ছবির পথ চলা শুরু হলে নির্দেশক বুঝিয়ে দেন আমাদের এই বদ্ধ জীবনে স্থির এবং চলমান প্রতিচ্ছায়ার গুরুত্ব। নানাবিধ ছবির অ্যালবাম প্রতিনিয়ত উল্টানোই আমাদের এই কোভিড ম্যারাথনের সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে পিঠ চাপড়ে বাঁচার আশ্বাস দেয়। তবুও আরাধ্যার গাঢ় লাল লিপস্টিক, পরিপাটি করে চুলকে সাজিয়ে রাখা লাল-কালো ববি প্রিন্টের ক্লিপ কেমন যেন স্থির দৃষ্টিতে পরখ করে আমাদের সকলকে। রাহুল – বাসবদত্তা অভিনীত আরাধ্যার বাবা এবং মায়ের ক্যামেরা কনসাস হাসিতে নির্বাকের সঙ্গে বাকরুদ্ধের তফাৎ প্রকট করে।দক্ষ অভিনেতা অভিনেত্রীর পাশে শিশু শিল্পী কিয়ানা শুধু চোখ দিয়েই বলে গেলো কতকথা!তার স্থির দৃষ্টির সামনে প্রশ্ন জাগে মনে ‘হ্যাপি ফ্যামিলি’ কতটা ‘হ্যাপি’ … পুরোটা ‘হ্যাপি’ কেন নয়? ধেবরে যাওয়া ‘হ্যাপি ফ্যামিলি’র কালো অক্ষরের দুই পাশে শূন্যে ভাসে দুই অক্ষিকাচ। দর্শকদের সজাগ দৃষ্টি দাবি করে তখন ‘চুপকথা’।আলস্যের নরম বিছানায়, বদ্ধ জীবনের স্বাভাবিকতায় একটি শ্রেণী আপাতদৃষ্টির সন্তুষ্টি খুব সহজেই খুঁজে নিচ্ছে! সামাজিক দূরত্বের স্ট্যাম্প সেঁটে নিয়ে একলা ঘরে আপন দেশ গড়ে, একলা থাকার অভ্যেস কে আস্কারা দিচ্ছে। তাই তারা বুঝতে চায়না যে কভিডে চুপকথারা মাস্ক পড়েও বড়ো অসহায়।
আশ্চর্য লাগে যখন অনুভবের বেড়াজাল টপকানোর এক অঘোষিত রিলে রেস চলে অরুণ এবং সংঘমিত্রার মধ্যে – “বুঝতে পারছো না কি আন্দাজে?” সংলাপকে টেক্কা দেয় দৃঢ় আত্মবিশ্বাস, ” সি, আই অ্যাম ইমপ্রুভিং”। মা হয়ে সংঘমিত্রার আরাধ্যাকে অনুভব করার তাগিদ অরুণের বাবা হিসেবে যান্ত্রিক প্রচেষ্টার সামনে আপাতদৃষ্টিতে জিতে যায়। কিন্তু শেষ পর্যায়ে এসে আরাধ্যার অস্পষ্ট আকুতির কাছে, মায়ের আবেগী মনকে শান্ত করে বাবার যুক্তি। এই আবেগ আর যুক্তির মেলবন্ধনে বেঁচে থাকে ‘চুপকথা’। আসলে, দেবারতি ভৌমিকের কলম বোঝাতে চায় যে কোভিড কে হারিয়ে দেবার লড়াই শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তির দ্বারা জয় করা যাবে না। তাতে সঠিক পরিমাণে মিশিয়ে দিতে হবে ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং অদৃশ্য বন্ধনের মানব সেতু। স্বল্প দৈর্ঘ্যের মধ্যে “চুপকথা” য় গচ্ছিত থাকে আমাদের বর্তমান ভাঙ্গন দিনের টুকরো ইতিহাস।
ছবির শুরুতেই সদর দরজার এপাশে ছৌ মুখোশের ঝুলে থাকা, চাঁদের ও পিঠে অজানা, অচেনা অন্ধকারকে ইশারা করে। দর্শক প্রস্তুত হয় এক অবুঝ মারণভাইরাসের আগমনের। তারা তাদের ফেলে আসা এক বছরের বদ্ধ জীবনযাপন আরো একবার ঝালিয়ে নিতে রিমোট হাতে উঠে বসে। এই জাগ্রত মননই হয়ত দাবী করে ‘চুপকথা’। কিন্তু এই ছবির মধ্যজ্যোতি পরিচালক-নির্দেশক কোভিডকে যতটা দিতে চান, তার চেয়ে অনেক বেশি আলোর ঝর্ণাধারা ঝরে পড়ে একরত্তি আরাধ্যার ওপর। সেই আলোর রেখায় ভরসা করে আমরা উপলব্ধি করি যে, যে মহামারীর দোহাই দিয়ে আমরা হাপিত্তিস করছি, তার কোনো স্থান নেই চুপকথার দেশে। যার বাক এবং শ্রবণ শক্তি এক দুরূহ প্রতিপক্ষের কাছে হেরে গেছে, তার একমাত্র ভরসা দৃষ্টি শক্তি। তাই বহুতলে সন্ধ্যা নামলে, আরাধ্যা একবিন্দু সোনালী আলোর খোঁজে অনেকখানি অন্ধকার একা একা গায়ে মাখে। রানিদিদির মনের অলিন্দে যে স্বপ্ন ভীড় করে, তাকে প্রশ্রয় দিয়ে রানিদিদি লাল প্রেসার কুকারের ডাককে পাত্তা না ই দিতে পারে। এমন কি টিভির খবরে করোনার আগমনী বার্তাও তাকে স্পর্শ করেনা। এই সব ছোট ছোটো মনি মুক্ত দিয়ে লেখিকা দর্শকদের গলায় অদৃশ্য কাঁটাহার পরিয়ে দেন। আমরা লজ্জা পাই – আমাদের অনেকেরই মধ্যে একটি করে রানিদিদি নামক দ্বীপ ছিল বছর খানেক আগেও – নির্দেশক আমাদের ভুলতে দিলেন কই?
যত ক্যামেরা চলেছে, অরুণের স্বীকারোক্তির সামনে চাকুরিজীবীরা নিজেদের প্রতিচ্ছবি দেখতে পেয়েছেন। বুকে হাত দিয়ে তাদের বলতে হবে যে তারা একবারও ভাবেননি যে ভালই হয়েছে…বাড়িতে সময় কাটানো যাবে ! নিজেকে নিজের মতন গুছিয়ে নেওয়ার স্বার্থপরতা মহামারীর অজুহাতের দেওয়ালে লুকিয়ে থাকে। কিন্তু স্ক্রিপ্টের সংলাপের নিস্তব্ধতায় অবচেতন চিৎকার করে বলে ওঠে বলা বারণ কাহিনী। রানিদিদি আসতে নাই পারুক, একটা ফোনেও করেনা আরাধ্যার খোঁজ নিতে! তাহলে সে যখন পাশে ছিল, সে কি সত্যিই ছিল? যাই হোক না কেন, কর্মরত মায়েদের ভরসা এইসব আরধ্যাদের দেখাশোনা করার দিদিরাই। কঠিন বাস্তবের মাটিতে এই ছবির রুপালি পর্দার বার বার যবনিকা পতন হয়। ওদিকে ছবির কেন্দ্রে থাকা আরাধ্যা অতশত বোঝে না। রানি দিদির রিমোটের সাথে পাল্লা না দিয়ে সে আপন মনে সাদা পাতায় লাল- নীল-সবুজ রঙের এক চেনা পৃথিবী গড়ে।
এই গল্পের লেখিকা কোভিড কালের প্রেক্ষাপটে এমন এক চমকের ঝুলি হতে দাঁড়িয়েছেন যার বোঝা অভিভাবকদের নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। আরাধ্যারা এমনই এক দুর্গম দেশের স্থায়ী বাসিন্দা যেখানে মমতাময়ী মায়ের অথবা প্রবল প্রচেষ্টা করা বাবার পুরোটা কাঁটাতার এড়ানো সম্ভব হয় না। মাঝে মাঝে রক্তিম প্রয়াসের বাঁধ ভাঙ্গা বন্যা আরাধ্যাকে খিলখিলিয়ে নরম মাটির সোঁদা গন্ধে ভিজিয়ে দেয়। তখন বাবার লাল শার্ট, মায়ের লাল টপ, স্কার্ট, এমনকি বেডসিটের লাল ছোপ ধূসর ট্রাউজার এবং কালো টিভির অন্ধকার কে ভেংচি কাটে। আঁকার খাতায় ফিনিক্স পাখিরা বারবার সূর্যমুখী হয়। তারপর করোনার প্রকোপে যান্ত্রিক জীবন বাড়ি বয়ে আনে মন্দবাসার গল্প। কর্মব্যস্ততায় বাবার খেলার অঙ্গীকার ভুলে যাওয়া, আঁকার খাতা না দেখেই মাথায় হাত দিয়ে “ভাল” বলা আরাধ্যাকে ভোলাতে পারেনা। খেতে বসে, মায়ের ভালবাসার ভাগ ল্যাপটপ নিয়ে নিলে, একাকীত্বে ছটফট করে আরাধ্যা। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে লেখক আরাধ্যাকে মিলিয়ে দেন কোভিডের কারণে বাড়িতে আটকে পড়া শিশু-কিশোরদের সাথে। আরাধ্যার প্রতিবন্ধকতা সেখানে মিথ্যে হয়ে যায়…সে নিজস্ব পরিধি লংঘন করে চুপ করে এসে বসে সকল কথাদের পাশে। অবশ্য কথারা অভিবাবকদের বাড়িতে কাজ করার প্রতিবাদে মাঝে মাঝেই একক জনসভার সৃষ্টি করে। তাই লেখিকার কলমে আমে দুধে প্রাথমিক মিশেল হলেও, আমের আঁটিরা ব্রাত্যই থেকে যায়। চুপকথাদের প্রতিবাদ শুধু দৃষ্টিতে, তাই সেই প্রতিবাদ চাপা পড়ে যায় অন্য কচিকাঁচাদের দাবি-দাওয়ার আওয়াজে। তার প্রতিবাদ বোঝে তরল গোলার্ধের নীল মাছ, যার পাশে দাঁড়িয়ে সে তার নির্বাক কষ্টের জানান দেয়। আরাধ্যা এবং তার অভিভাবকের টানাপোড়েনের কথা এই ছবির মূলধন। অরুণের উদ্বেগ, আনন্দ মিশ্রিত চোখের চাউনিতে, সংঘমিত্রার স্নেহময়, অসহায় হাতের স্পর্শে বারবার ছুঁতে গিয়েও অধরা থেকে যায় তাদের সন্তান। মনের শূন্য চোরা গলির সন্ধান অভিবাবকরা চাইলেও সব সময় খুঁজে পাননা। তখন কোভিডের মতন উপলক্ষের প্রয়োজন হয় ; বন্ধ সাদা দরজার এপাশে বাবা-মা, আর ওপাশে দরজা চাপড়ে কাঁদা ছোট্ট আরাধ্যা – এক চিরাচরিত সামাজিক দূরত্বের গল্প শোনায়। কোভিডের কে ব্যবহার করে, এই ছবির সংলাপ চুপকথাদের অদৃশ্য ইস্টিশনে মানব সভ্যতা কে ঘাড় ধরে নামাচ্ছে। কক্ষপথের বাইরে বেরিয়ে বাড়িতে থেকে কাজ করতে বাধ্য হয়ে বড়রা একা করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন ছোটদের। একটু তলিয়ে ভাবলে বোধগম্য হবে যে হোমে থেকে ওয়ার্ক করার বাহানায় হোমের মধ্যমনি কে খুবলে খেয়ে তছনছ করে কোভিড এক ‘ইডিওলজিকাল স্টেট অ্যাপারেটাস’ এ রূপান্তরিত হয়েছে, যাকে চোখে দেখা যায় না, শুধু অনুভব করা যায়। অরুণের মানতে না চেয়েও মেনে নেওয়ার দৃষ্টি “আসছি একটু পরে” র অপেক্ষা করে। যদি কোভিড সারভাইভার “রাইট নাউ” এর তাড়া না বোঝে, তাহলে সাধারণ মানুষ কি ভাবে বুঝবে? এ যাবৎ কালে কোনো স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে ধরা পড়েনি এই নির্মম সত্যের কথা। একই সাথে স্বীকার করে নেওয়া ভালো যে জায়গা বিশেষে এই ছবি কড়া শাসনে দর্শকদের ড্রইংরুম ভরিয়ে তুলছে। তাইতো লেখনীতে আমরা অভিভাবকদের প্রতি সহানুভূতি খুব একটা দেখিনি। পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে অভিভাবকের নির্মম শাক কে আরাধ্যার নীল গোলার্ধের সোনালি মাছ দিয়ে ঢাকেননি লেখিকা – তাঁকে সাধুবাদ জানাই। স্বাভাবিক নিয়মের গণ্ডি থেকে কোভিড বিরতি নিয়ে মা-বাবারা স্মার্টফোনে, ল্যাপটপে রাত জেগে আপন পৃথিবী রঙিন করে তোলে, ভুলে যায় যে তাদের মাঝে আটকে আছে এক অন্য দেশ। নির্বাক আরাধ্যা বারোটা থেকে একটা পেরোনো ঘড়ির দিকে তাকিয়ে থাকে, তাকে একাকিত্বের নিঝুম গল্প শোনায় বুড়ো-বুড়ি খেলনা পুতুল। ঠিক এই মুহূর্তে রূপালী পর্দা আপনিই ছিঁড়ে ঢুকে পড়ে দর্শকদের বাস্তব ড্রয়িং রুমে। তখন ভেঙে চুরে যায় আমাদের ঘর বাড়ি। নির্বাক আরাধ্যার স্থির চাউনি সজোরে থাপ্পর দেয় কল্লোলিনী সভ্যতা কে। রাতের বিছানায় অরুণ আর সংঘমিত্রা তাদের দরজার বাইরে আটকানো সিদ্ধিদাতা গণেশের মতন এক পরিযায়ী রক্ষাকবচ হয়ে থেকে যান। আগলে রেখে, শুভ কামনায় জীবন ভরিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও দুই দেশের মাঝে যে অদৃশ্য ছায়াপথের বেড়াজাল আঁকা আছে, সেই বিভাজন রেখাকে দিয়ে পথ আটকে আরাধ্যার চুপকথা জেহাদ ঘোষণা করে।
এর কিছুদিন পর, পালে সত্যিই বাঘ পড়লে, দর্শক আরো একবার তাদের পরিস্থিতি পর্দায় ভালো করে উপলদ্ধি করে। অরুণের মাস্ক, গ্লাভস পড়ে বাজারের থলি হাতে ফেরা এবং সংঘমিত্রার স্প্রে করার উদ্যোগ দ্বিতীয় ঢেউকে প্রতিরোধ করতে কতটা ব্যার্থ তা ভীষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অনাহুত অতিথির আগমনে জেরবার দম্পতি প্রতিবেশীর কাছে সাহায্য চাইলে সহানুভূতির ডালি নিয়ে নেমে আসেন মিসেস মৈত্র। আরাধ্যার “সমস্ত দেখাশোনার দায়িত্ব” নিজের কাঁধে তুলে নিলে কোভিডকালে চেনা – অচেনা মানুষের সহযোগিতায় হাত বাড়ানো পর্দায় ভেসে ওঠে। তবু লাল শাড়িতে হলুদ ভাত মেখে আরাধ্যার মুখ ভরিয়ে তোলার ফাঁকে, ড্রয়িং রুমে রাখা নকল সূর্যমুখীরা অজানা অশনি সংকেত দেয়। বজ্রবিদ্যুতের ঝলকানি সেই রাতে ঘুমন্ত আরাধ্যাকে ভয় দেখালে অসহায় মা বাবা ফোনে শোনে প্রতিবেশীর বিরক্তিকর সম্মতি। মিসেস মৈত্রর “এখন” বা “একটু পরে” অভিভাবকরা বুঝলেও আরাধ্যা অনুভব করে মা বাবার অবজ্ঞা। তাই সে স্বপ্নের আর বাস্তবের আড়াল বিহীন মনের কথা আঁকা সাদা কাগজকে টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে দেয় ক্যামেরার সামনে, নিক্ষেপ করে আমাদের জগতের দিকে। বহুদিন পর এক চুপকথা ত্যাগ করলো বুলি আওড়ানো জগতের সকল মানুষকে। বুঝিয়ে দিলো প্রত্যাখ্যান কাকে বলে। আমাদের তথাকথিত বিদ্যা, বোধ, বুদ্ধি কিছু দিয়েই কি আমরা স্পর্শ করতে পারি এই চুপকথাদের? মুখ ঘুরিয়ে একাকী ঘরের লাল নীল রঙে অশ্রু মুছে আরাধ্যারা আমাদের কত যে নির্বাক প্রত্যাখ্যান করে চলেছে তার খোঁজখবর আমরা আদৌ কি রাখছি? আমাদের দয়া বা দাক্ষিণ্যের ঝুলি ওরা দূর থেকেই ফিরিয়ে দেয় সে কথা আমরা জেনেও না জানার ভান করি। সিনেমার বরাদ্দ সময়কাল ফুরালে দর্শক ভাবতে বাধ্য হন যে অপছন্দের রানিদিদি হোক বা সহানুভূতি দেখানো মিসেস মৈত্র – আরাধ্যাদের দেখভাল করার আগে, ওনারা নিজেদের মনের অন্ধকার দূর করে আলো জালুক। নির্মমতার চূড়ান্ত নিদর্শনের সামনে দাঁড়িয়ে ভীষণ প্রয়োজন চুপকথাদের মনের তাগিদটা বোঝার।ফুরিয়ে যাওয়ার আগাম সংকেত না দিয়েই ঝপ করে নিভে যাওয়া সিনেমার ফ্ল্যাশলাইট চাবুক মেরে জানতে চায় – সাময়িক লকডাউন আর জীবনভর কারফিউ এর তফাৎ দর্শক কি বুঝবে না, কোনদিন?

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *