“আমার অন্যধারার চরিত্র করতেই ভালো লাগে”:দেবিকা

“আমার অন্যধারার চরিত্র করতেই ভালো লাগে”:দেবিকা

ব্ল্যাক স্টোন” ওয়েব সিরিজে বাংলার সিনেমার অভিনেত্রী দেবিকা সেনগুপ্তকে দেখা যাবে রাহুল রায়ের বিপরীতে। এখানে তিনি এসপির ভূমিকায় অভিনয় করছেন।রয়েছেন ঋত্বিকা সেনও। সম্প্রতি টোটা রায় চৌধুরীর বিপরীতে ‘মিশা‘ ও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে রাজা সেনের ছবি ‘ভালোবাসার গল্প‘ নামক দুটি বাংলা সিনেমায় তিনি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।সেখানে তাঁর অভিনয়ও বেশ প্রশংসিত হয়েছে।তাঁর দুটো ছবি মুক্তির অপেক্ষায়।শীঘ্রই বলিউডের ছবিতেও দেখা যাবে দেবিকাকে

রাহুল রায়,দেবিকা ও ঋত্বিকা ছাড়াও অভিনয় করছেন পার্থ সারথী দেব,টাবুন মুন্সী, রানা মুখোপাধ্যায়, রাহুল চক্রবর্তী,পায়েল দেবনাথ,রাজু রাজু এবং পুলকিতা ঘোষরাহুল রায় কয়লা মাফিয়ার চরিত্রে অভিনয় করছেন।ওয়েব সিরিজটির প্রযোজনা ও পরিচালনা করছেন রোহিন বন্দ্যোপাধ্যায়,কাহিনি দেবাশীষ দীঘালের,সিনেমাটোগ্রাফি কমলেশ মজুমদারের


ব্ল্যাক স্টোন” ওয়েব সিরিজের দুটি গান সম্প্রতি রেকর্ড করা হয়েছে।গীত রচনা করেছেন প্রিয় চট্টোপাধ্যায় এবং মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন রোহান অর্জুন। সংগীত পরিচালনা করেছেন বলিউডের বিখ্যাত সুরকার বাবুল বোস এবং গানটি গেয়েছেন শীর্ষা রক্ষিত

সাক্ষাৎকার পর্বে দেবিকা জানালেন,”ব্ল্যাকস্টোন-এ রাহুল রায়ের বিপরীতে কাজের সুযোগ পেয়ে দারুন লাগছে।ছোটবেলায় রাহুল রায়েরআশিকি‘-র আমরা সকলে দেখেছি।তারপর ‘জুনুন‘ ছবিটা দেখে রাহুল রায়ের ফ্যান হয়ে গিয়েছিলাম।তার বিপরীতে কাজ করতে যাচ্ছি একটা আলাদা অনুভূতি তো হচ্ছেই।’ব্ল্যাকস্টোন‘-এ আমার চরিত্রের নাম বন্দনা যে একজন এসপি।রাফ এন্ড টাফ চরিত্র।আমার চরিত্রের সঙ্গে দারুন ভাবে মিল আছে বন্দনা চরিত্রটায়।”

পাশপাশি পার্থ ডি মিত্রর পরিচালনায় ‘পিকলু‘ ছবিতেও দেবিকাকে দেখা যাবে।স্বামী স্ত্রীর টানাপোড়েনের গল্প ‘পিকলু‘।জয়ন্ত উপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘হরেকৃষ্ণ জুয়েলার্স‘-এও কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন দেবিকা।ছবিটা একটা মেয়ের হারিয়ে যাওয়ার গল্প বলবে।

দেবিকা ব্যতিক্রমি চরিত্রেই অভিনয় করতে চান।কথা প্রসঙ্গে তিনি বললেন,”আমার অন্যধারার চরিত্র করতেই ভালো লাগে।দর্শক এখন অনেক বেশি ইন্টেলিজেন্ট।এখন নায়ক নায়িকার কেমিস্ট্রি দেখতে আর যায় না।এখন গল্পটাই আসল।আমি খুব লাকি যে আমার প্রত্যেকটা ছবি ফিমেল ওরিয়েন্টেড।কেরিয়ারের শুরুতেই রাজা সেনের মতো পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।”

দেবিকার জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা উত্তর কলকাতায়।বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান দেবিকা।বাবা ছিলেন সরকারি কর্মচারী।মা ছিলেন বিউটিশিয়ান।ছোটবেলায় এয়ারহোস্টেস হওয়ার স্বপ্ন ছিল।কিন্তু বাবার অমতে সেটা হয়ে উঠেনি।

অ্যারামোথেরাপি নিয়ে পড়াশুনা।তারপর সেই বিষয়েই ডক্টরেট।অ্যারামোথেরাপিস্ট
হিসেবেও তার নাম বেশ জনপ্রিয়।তিনটি নামি ব্র্যান্ডের ব্র্যান্ড আম্বাসডর ছিলেন তিনি।স্কিন এন্ড হেয়ার কনসালটেন্ট হিসেবেও তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে।

অভিনয় আসাটাও কাকতালীয় ভাবেই।তাঁর এক মাসতুতো দাদা দেবিকাকে ছোট থেকেই খুব রাগাতেন নায়িকা নায়িকা করে।এবং বলেছিলেন তিনি যদি কখনও ছবি করেন তাহলে সেই ভাই দেবিকাকে নায়িকা করবে।সেই দদাই ছবি করার করার প্লান করছিলেন।সেই কথা রেখেওছিলেন।দাদার প্রথম ছবি ‘মিশা‘।সেই ছবির নায়িকা হলেন দেবিকা।দেবিকার অভিনয় নজর কাড়লো দর্শক সমালোচকদের।শুরু হয়ে গেল অভিনয়ের পথচলা।

ভবিষ্যতে দেবিকা আরো ভালো ভালো চরিত্রে ভালো ভালো ছবিতে অভিনয় করতে চান।সেরকম ভালো সুযোগ পেলে টেলিভিশনেও কাজ করতে চান।

সাক্ষাৎকার:রামিজ আলি আহমেদ
ছবি:বিশ্বজিত সাহা
মেকআপ ও হেয়ার:সোমা পাল স্টাইলিং:সম্রাট ঘোষ

লোকেশন সৌজন্যে:মল্লিক স্টুডিও,টালিগঞ্জ

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *