পিঙ্ক রোজেস এন্টারটেনমেন্ট নিবেদিত এইচ কে মিস্টার, মিস, মিসেস ইণ্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ২০২২

0
99

নিজস্ব প্রতিনিধি :উনি নিজের জীবনে প্রভূত কষ্ট পেয়েছেন, অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নারীদের প্রতি পুরুষ শাসিত সমাজের রক্তচক্ষুকে কিছুটা উপেক্ষা করেই একসময় শিশু শিল্পী রূপে উনি নিজের যাত্রা শুরু করেছিলেন।
চলার পথে বিভিন্ন প্রতিকূলতা কাটিয়ে যখন উনি বিনোদন জগতে নিজের পরিচয় রাখতে সমর্থ হন, ঠিক তখন দৈব দুর্বিপাকে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শরীরের একাংশ কর্মহীন ও অসাড় হয়ে পড়ে।কিন্তু তার পরেও হার না মেনে নব উদ্যমে তিনি নতুন প্রতিভাদের বিকাশের সহায়ক মঞ্চ বানিয়েছেন।

ঠিক ধরেছেন, আমরা এতক্ষণ ধরে আপনাদের কাছে রাজধানীর সুপ্রসিদ্ধ মডেল, অভিনেত্রী তথা শো-অর্গানাইজর হেনা কৌসর-এর সম্পর্কে আলোচনা করছিলাম।

হেনা সাম্প্রতিক অতীতে বিউটি পেজেন্ট এইচ কে মিস্টার, মিস এবং মিসেস ইণ্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল শুরু করেছিলেন। দেখতে দেখতে এবার তা তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল।
এই মঞ্চ থেকে উনি কত নরনারীর যে স্বপ্ন পূরণ করছেন তা একমাত্র ঈশ্বর/খোদা-ই জানেন।
এবারের শো হয়েছে বড়োই আকর্ষণীয়। এবার মূক ও বধির শিশু ও কিশোর কিশোরীরা তাদের নিজস্ব শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও রাম্পের উপর নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর দেখিয়েছে।

বিচারক রূপে ডাঃ আরিফ নাসির বট, রোহিত সুমন, ডালিয়া মিত্রা এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নাগমণি উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে মুম্বই থেকে উড়ে এসেছিলেন বলিউড ফিল্ম ইণ্ডাস্ট্রীর অন্যতম অভিনেতা রাজা মুরাদ।


অনুষ্ঠান দেখে রাজা মুরাদ বলেছেন, এটা এমন এক বিউটি পেজেন্ট যেখানে যেকোনো ক্ষেত্র থেকেই নরনারীরা যোগদান করে পুরস্কার পেতে পারেন, বয়সের কোনো সীমা নেই, এর পাশাপাশি এই শো-এর যিনি রূপকার সেই হেনা কৌসর নিজেই ‘মিসেস এশিয়া’ খেতাব জিতেছিলেন।

রাজা মুরাদ আরো বলেন, যে সকল বাচ্চা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বিভাগে রয়েছে তাদের রাম্পে হাঁটার সুযোগ করে দেওয়াটাই তৃতীয় বর্ষ (সিজন থ্রী)-র সবচেয়ে বড়ো বিশেষত্ব। সত্যি এটা একটা খুব বড়ো কথা। উর্দুতে বলা হয়- ‘নশা পিলাকে গিরানা তো সবকো আতা হৈ, মজা তো তব হৈ কি গিরনো কো থাম লে সাকী’ অর্থাৎ ‘নেশার দ্রব্য খাইয়ে ফেলে তো সবাই দিতে পারে, আনন্দ তো তখনই হয় যখন পতনশীল কো ধরে ফেলা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here