পাহাড়ে গানের উৎসব

0
188

নিজস্ব প্রতিনিধি:আবার পাহাড়ে বসলো গানের উৎসব।মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল সিজন টু এর আসর এবার জমে উঠলো দাওয়াইপানির হিল ক্যাসেল হোম স্টের অঙ্গনে।পিছনে দিগন্ত জুড়ে সাক্ষী থাকলো কাঞ্চনজঙ্ঘা।সুদীপ্ত চন্দের পরিকল্পনা এবং উদ্যোগে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার আয়োজিত হল পাহাড়ি উপত্যকায় গানের এই বর্ণময় উৎসব।এবছর এই অনুষ্ঠানটা নিবেদন করছেন শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স, সহযোগিতায় খুকুমণি সিন্দুর ও আলতা, সুরজিৎ কালা, সেরাম গ্রুপ, জেপি ট্রাভেলস,ভিসটেল ইনফোটেনমেন্ট, ড্যাফোডিল ইনকর্পোরেট,গ্ল্যানেরিস, কার্পে ডিয়েম।

কলকাতার শিল্পীদের পাশাপাশি ওই অঞ্চলের
শিল্পীরাও গলা মেলালেন, গীটারে সুর তুললেন।এবারের বিশেষ আকর্ষণ বলতে দাওয়াইপানির অপরূপ পাহাড়ের কোলে সূর্য ওঠার থেকে সূর্য ডোবার পালায় পরতে,পরতে সুরের ছোঁওয়া।ভোরের সুরে কখনো সেতারের ঝঙ্কার, পাহাড়ি ধুন, তো কখনো বেহালা-সেতারের যুগলবন্দিতে সত্যজিতের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ স্মরণ।নেপালি গান, যন্ত্রসংগীত,রেট্রো মিউজিক থেকে বাংলা ব্যান্ডের গান সব মিলিয়ে এবারের গানের উদযাপন বেশ চমকে ভরা।এবার কথা বলা যাক উৎসবের জায়গা গুলো নিয়ে। হিল ক্যাসেল হোমস্টে ছাড়ও গানের আসর বসলো লিজেন্ডারি রেস্তরাঁ গ্ল্যানেরিস এও।চারিদিকে কফি আর বেকারি প্রোডাক্টের গন্ধে একটা রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি হয়।

বেহালায় বেজে ওঠে রূপম ইসলামের গানের সুর, সেতারে রেহমানের সুর,গানে গানে কিশোর কুমার থেকে দিল চাহতা হ্যা।
কলকাতা থেকে আসা শিল্পীদের গানে গ্ল্যানেরিস তখন সরগরম।এরপর গানের আসর জমে উঠল দার্জিলিং এর ম্যালে যাওয়ার পথে। নেপালের ট্র্যাডিশনাল মিউজিশিয়ানদের বাজানো সারেঙ্গীর সঙ্গে যোগ হল উকুলেলে, গীটার, কাহন। এই জ্যামিং দেখতে তখন পথ চলতি উৎসাহি শ্রোতাদের ভিড়।চমক আরো আছে ভারতীয় রেলকে জানানো হলো বিশেষ সম্মান।

ঘুম স্টেশনে টয় ট্রেনের সামনে তখন একে একে গান হচ্ছে যা ট্রেনেই শুট হয়েছিল।এবারের মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এরকমই নানা চমকে ভরা।আগামী ১১ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক পর্বত দিবসে এই উৎসব দ্যা ড্রিমার্স এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে দেখা যাবে রাত ৯টায়।শিল্পীদের মধ্যে গান গেয়েছেন অরিত্র মুখোপাধ্যায়, রিক বিশ্বাস, নীলাঞ্জন সাহা,ঋতবান গুহ ও সুদীপ্ত চন্দ, সেতারে শুভম ঘোষ,বেহালায় সৌরজ্যোতি চ্যাটার্জি।এই উদ্যোগ নিয়ে সুদীপ্ত চন্দ বললেন,” পাহাড়ে এরকম একটা গানের উৎসব হোক আমার অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল।এখানে বিভিন্ন ধারার মিউজিকের চর্চা হয়,বিভিন্ন জায়গার মিউজিশিয়ানরা আসেন।আর প্রকৃতির কোলে এরকম একটা মিউজিক ফেস্টিভ্যাল উপভোগ করাও এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা বটে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here