Home Blog

‘আইলা রে নয়া দামান’, এক নতুন ভাবনায় রাজীব প্রোডাকশনস

0

নিজস্ব প্রতিনিধি:আজকাল ম্যাশ আপের ট্রেন্ড বেশ তুঙ্গে। জনপ্রিয় গানের রিপ্রাইজ ভার্সন দিব্যি মন কাড়ছে নেটিজেনদের। এবার এই সারিতে নাম লেখালেন ফিল্ম প্রোডাকশন হাউস রাজীব প্রোডাকশনস। বাংলাদেশের জনপ্রিয় লোকগান
‘আইলা রে নয়া দামান’ – কে এক নতুনভাবে উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন তারা। এই গানটির সাথে বিভিন্ন লোকগান যুক্ত করে এক
ম্যাশ-আপ তৈরি করা হচ্ছে। যেখানে সংগীতায়োজন করছেন টলিউডের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক দেব সেন। একই সঙ্গে এতে সুরেলা কণ্ঠ দিচ্ছেন উদীয়মান গায়িকা মহুয়া চক্রবর্তী।

এ প্রসঙ্গে রাজীব প্রোডাকশনস- এর কর্ণধার রাজীব গোলচা জানান, আমার প্রতিষ্ঠান সবসময় নতুনদের সুযোগ দিয়ে আসছে। আর সেই ধারা অব্যাহত রেখে আমরা নতুন প্রতিভাবান গায়িকা মহুয়া চক্রবর্তীকেও সুযোগ দিয়েছি। আমরা এই মিউজিক্যাল প্রজেক্টে কিছু নতুনত্ব করার চেষ্টা করেছি। আমি সবসময় মনেকরি প্রচেষ্টা সবসময় ফল দেয়।

আপনাদের জানিয়ে রাখি,চলতি মাসের শেষের দিকে গানটি আসতে চলেছে
এক বিখ্যাত ইউটিউব চ্যানেলে।

পুলিশ কমিশনারের প্রণাম ভার্চুয়াল বৈঠক;প্রবীণদের সঙ্গে যোগ দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়

0

২০ জানুয়ারি ২০২২, কলকাতা: কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সহ পুলিশের শীর্ষ কর্তারা প্রণাম কর্মসূচির আওতায় থাকা প্রবীণ নাগরিকদের সঙ্গে  ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।বিসিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে চন্দ্রবিন্দু খ্যাত গায়ক উপল সেনগুপ্ত, বার্ধক্য রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ধীরেশ চৌধুরী, প্রণাম প্রকল্পের যুগ্মআহ্বায়ক অরিন্দম শীল এবং এশা দত্তও যোগ দেন বৈঠকে। শহরের প্রবীণ নাগরিকদের জন্য কলকাতা পুলিশ এবং দ্য বেঙ্গল সংস্থার যৌথ উদ্যোগ এই প্রণাম কর্মসূচি।

এদিন তাঁদের আশ্বস্ত করে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল বলেন,”আপনাদের যখনই প্রয়োজন হবে কলকাতা পুলিশ তখনই আপনাদের পাশে থাকবে।”

প্রবীণদের উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী বলেন, “আমি এটা জেনে খুব আনন্দিত যে আপনারা রাতে আমার টেলিভিশন প্রোগ্রাম উপভোগ করছেন। অনুগ্রহ করে নিজেদের যত্ন নেবেন এবং নিজের বাড়িতে হোক বা বাড়ির ছাদে বা যেকোনও জায়গায় নিয়মিত শরীরচর্চা করার চেষ্টা করবেন। আপনাদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য কলকাতা পুলিশ রয়েছে। ভালো থাকুন সুরক্ষিত থাকুন। আমি এবং আমরা সকলে একদিন আপনাদের মতই প্রবীণ হব। আমি প্রণামকে শুভেচ্ছা জানাই প্রবীণদের কথা ভেবে তাঁদের জন্য এতকিছু করার জন্য।”

দ্য বেঙ্গল এর তরফে সন্দীপ ভুতোরিয়া বলেন,”প্রবীণ নাগরিকদের দিনরাত মানসিক এবং শারীরিক ভাবে সহায়তা এবং নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য গৃহীত প্রণাম একটি মডেল প্রকল্প। প্রবীণদের কাছ থেকে অসংখ্য সাড়া পাওয়া এই প্রকল্প নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের সঙ্গে মানিয়ে নিতে নিয়মিত নিজেকে আরও উন্নত করে তুলছে। কোভিড কালে, বয়স জনিত কারণে ঘর বন্দী হয়ে যাওয়া মানুষকে নিয়মিত ওষুধসহ অন্যান্য আবশ্যকীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছে প্রণাম। প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সামাজিক পরিষেবা প্রদানের একটি সফল মডেল তৈরি করেছে প্রণাম।”

চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের গায়ক উপল সেনগুপ্ত প্রবীণদের উদ্দেশ্যে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।বার্ধক্য রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ধীরেশ চৌধুরী শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যোগ দেওয়া প্রবীণদের স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেন এবং কোভিড সচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। অভিনেতা সোহম এবং পরিচালক রাজা চন্দও এই ভার্চুয়াল বৈঠকে সামিল হন।

বিগত এক সপ্তাহ ধরে কলকাতা পুলিশের বিভিন্ন ডিভিশনে আলাদা আলাদা করে প্রণাম সদস্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। পোর্ট ডিভিশন ও ইস্ট সুবারবান ডিভিশন এবং সেন্ট্রাল ডিভিশন ও ইস্ট সুবারবান ডিভিশন, এসএসডি, এসিডি পর্ণশ্রী থানা যেখানে প্রণাম প্রকল্পের যুগ্ম-আহ্বায়ক এশা দত্ত এবং বিখ্যাত তবলা শিল্পী বিক্রম ঘোষ অংশ নেন। অভিনেত্রী তনুশ্রী প্রণাম সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কণ্ঠশিল্পী ইমন চক্রবর্তী ভার্চুয়াল বৈঠকে সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

এর আগে, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রণাম কর্মসূচি নিয়ে তাঁর প্রথম বৈঠকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার কলকাতার সমস্ত থানাকে প্রবীণ নাগরিকদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা করার নির্দেশ দেন। শহরে কোভিড সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পুলিশ কর্মীদের মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বৃদ্ধি সংক্রান্ত নিয়ম পালন এর উপরেও তিনি যোগ দেন। এতে প্রবীণদের সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কাও কমবে কেননা প্রবীণদের কাছে এই ভাইরাস বেশি ঝুঁকির।

সাইবারক্রাইম বিভাগের সাব ইন্সপেক্টর সন্দীপ শাহ সাইবার জালিয়াতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং কিভাবে ব্যাংক জালিয়াতরা প্রবীনদের নিশানা করছে তা নিয়ে আলোচনা করেন। কলকাতা পুলিশ সদরের সার্জেন্ট প্রসূন দাস বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শোনান। পার্ক স্টিট থানার অতিরিক্ত ওসি অমিত চ্যাটার্জি,অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (৪) ডক্টর তন্ময় রায় চৌধুরী আইপিএস, ওসি,সিপিডব্লিউ, কলকাতা পুলিশ, মানস ঝাঁ, বালিগঞ্জ এবং টালিগঞ্জ প্রণামের অতিরিক্ত এও শ্রীমতি মনিকা বটব্যাল প্রমূখ এই ভার্চুয়াল কনফারেন্সে অংশ নেন। হেয়ার স্ট্রেট থানার ইন্সপেক্টর দেবজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং সাব-ইন্সপেক্টর নিরুপম সঙ্গীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিসি সেন্ট্রাল ডিভিশন, আইপিএস রূপেশ কুমার।

এক দশকেরও বেশি সময় আগে কলকাতা পুলিশ এবং দ্য বেঙ্গল কলকাতার বাসিন্দা প্রবীণ নাগরিকদের সহায়তার উদ্দেশ্যে যুগ্মভাবে প্রণাম প্রকল্পের সূচনা করে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু প্রথম সদস্য হিসেবে প্রণাম প্রকল্পের আওতায় নাম নথিভুক্ত করেন। প্রথম সারির সিমেন্ট উৎপাদক সংস্থা শ্রী সিমেন্ট কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি উদ্যোগের আওতায় এই প্রকল্পের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে শহরের ১৮ হাজারের বেশি প্রবীণ নাগরিক প্রণাম প্রকল্পে নথিভূক্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে কলকাতা পুলিশ বিশেষ পরিকাঠামো-দফতর, বিশেষ টেলিফোন নাম্বার এবং ২৪x৭ কর্মী নিয়োগ করেছে।

ইস্টার্ন ইন্ডিয়া হোটেলিয়ার্স এন্ড ট্রাভেল এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের সাংবাদিক সম্মেলন

0

নিজস্ব প্রতিবেদক:করোনার  সময় বেশ অনেক দিনই বন্ধ  ছিল হোটেল-বিভিন্ন দার্শনিক স্থান । বাতিল করতে হয়েছিল সাধারন মানুষের ঘোরার পরিকল্পনা। বেশ বড় রকমই ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল ট্যুরিজম ব্যাবসা।
লকডাউন এরপর ধীরে ধীরে সেই ট্যুরিজম ব্যবসা কিছুটা মসৃণ হলেও করোনা কালের আগের মতন লাভের মুখ দেখতে পারছেন না ট্যুরিজম ব্যবসার সাথে যুক্ত মানুষরা।
ইস্টার্ন ইন্ডিয়া হোটেলিয়ার্স এন্ড ট্রাভেল এজেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এমনই কথা উঠে আসে।
উপস্থিত সংস্থার সাধারণ সম্পাদক দেব কুমার চৌধুরী বলেন পর্যটন শিল্পের সাথে যেমন যুক্ত রয়েছে হোটেল তেমনি যুক্ত রয়েছে এলাকার মানুষ। গ্রামীণ অর্থনীতি অনেকভাবেই নির্ভর করে রয়েছে এই পর্যটন শিল্পের ওপর। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে করোনার যে  বিধি চলছে তার ফলে ট্যুরিজম ব্যবসা অনেকটাই পিছিয়ে যাচ্ছে। সরকারি তরফ থেকে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে, সেই জন্য তারা দাবি করেন এই ট্যুরিজম ব্যবসাতেও ছাড় ঘোষণা করা হোক সরকারের পক্ষ থেকে।

করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ভাবেই সাহায্য পাওয়া যায়নি এই পর্যটন শিল্পে এমনও অভিযোগ আসে সংস্থার পক্ষ থেকে। 

সাংবাদিক সম্মেলন থেকে তারা জানান বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন । তাদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে:

৫০% মানুষ নিয়ে লঞ্চ, লাক্সারি বাস, হোটেল- টুরিস্ট যানবাহন শুরু করা হোক।
সরকারের পক্ষ থেকে একটি ফাইনান্সিয়াল প্যাকেজ ঘোষণা করা হোক ট্যুরিজম ব্যবসার দিকে তাকিয়ে।
ডুয়ার্সে জঙ্গল সাফারি এবং সুন্দরবন অঞ্চলে আবার পর্যটনশিল্পকে শুরু করা হোক ৫০ শতাংশ মানুষ নিয়ে।
বর্তমানে যে রাত্রিকালীন নিষেধাজ্ঞা চলছে তাতে টুরিস্ট যানবাহনকে ছাড় দেওয়া হোক।
সরকারি পক্ষ থেকে যে সমস্ত নথিভূক্ত পর্যটন অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে তাদের নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজন করা হোক যাতে পর্যটনশিল্পকে আরো ভালো ভাবে গড়ে তোলা যায় ।

সংস্থার যুগ্ম-সম্পাদক দিব্যেন্দু চক্রবর্তী বলেন , বাসে ট্রামে যেভাবে মানুষ যাচ্ছেন এবং যেভাবে সব জায়গায় করোনা বিধিমালা হচ্ছে ট্যুরিজম ব্যবসাকে খুলে সেই ভাবেই যাতে সব কিছু করা হোক। পর্যটন  ব্যবসার সাথে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা গুলি যাতে এক ছাতার তলায় আসে তার কথা বলেন দীপেন্দু বাবু।

পর্যটন শিল্পে যদি এই ধরনের পতন দীর্ঘদিন চলতে থাকে এবং সরকার যদি কর্ণপাত না করে তার জন্য আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাবেন  বলেও জানান তারা।

ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেত্রী এবার হিন্দি ছবিতে

0

নিজস্ব প্রতিনিধি:ছোট পর্দার পরিচিত অভিনেত্রী শিল্পী এবারে কাজ করতে চলেছেন একটি হিন্দি ছবিতে। ছবির নাম ‘গিরগিট’, সেখানে কনিনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট বোনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে শিল্পীকে। ‘যমুনা ঢাকি’ সিরিয়ালের এই পরিচিত মুখ এর আগেও একটি বাংলা ছবি করেছেন, ‘ভটভটি’, যার মুক্তি আটকে রয়েছে করোনা পরিস্থিতির কারণে।

ধাগা ফিল্মসের প্রযোজনার ছবি গিরগিট পরিচালনা করছেন বাপ্পা, যাঁর এর আগের ছবি ছিল ‘শহরের উপকথা’। মুম্বইয়ের সাড়া জাগানো অভিনেতা দিব্যেন্দু ভট্টাচার্য, জয় সেনগুপ্ত, ডোনা মুন্সী ও ঈপ্সিতা চক্রবর্তীর মতো অভিনেতাদের পাশাপাশি প্রিয় অভিনেত্রী কনিনিকার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পেরে স্বভাবতই শিল্পী উত্তেজিত। ‘খুব শীঘ্রই আপনাদের আরো একটা ভালো খবর দিতে পারব, আশা করি’, বলছেন এই নতুন অভিনেত্রী।

Pandit Prodyut Mukherjee presents “Music for Peace” concert to celebrate peace through Music

0

✍️By Special Correspondent

Rhythm Express Global Art Presenter and Kalyani Ray Memorial Trust presented “Music for Peace” concert it was by the GiMA awardee Pandit Prodyut Mukherjee. Covid 19 had to stand by the people who had resorted to music to get out of this crisis. Various performing artistes and musicians have been passing through such a helpless time, working under house arrest.It was meant for peace through music.Recently Pandit Prodyut Mukherjee has created Green Tabla to spread message regarding environmental issues. It was started with performances like “within you” from the GiMA winning album Rhythm Express-Moods, followed by Music For Peace, Sare Jahan Se Achha and so on.
Earlier, Pandit Vishwamohan Bhatt, Salil Bhatt, Sraboni Sen, Saheb Chattopadhyay performed in Peace Concert. Pandit Prodyut Mukherjee said, “we had this program with the message of world peace through world music. “

প্রয়াত বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব শাঁওলি মিত্র

0

প্রয়াত বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব শাঁওলি মিত্র। বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তাঁর অন্ত্যেষ্টির পর জানানো হল মৃত্য সংবাদ। শাঁওলি মিত্রের প্রয়াণের খবরে শোকস্তব্ধ বাংলা নাট্য জগৎ। বাক্যহারা তাঁর অগণিত গুণমুগ্ধ। রবিবার বিকেল ৩টে ৪০ মিনিটে প্রয়াত হন তিনি। সিরিটি শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় এদিন রাতেই। শাঁওলি মিত্র একটি ইচ্ছাপত্র তৈরি করেছিলেন। সেখানেই তিনি জানিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যুর খবর শেষকৃত্যের পর যেন সকলকে জানানো হয়। সেই ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়েছেন তাঁর প্রিয়জনেরা।শাঁওলি মিত্রর বাবা শম্ভু মিত্রও একই ধরনের ইচ্ছাপত্র করে গিয়েছিলেন।প্রসঙ্গত শম্ভু মিত্রের মৃত্যু হয়েছিল ১৯৯৭ সালে।

শাঁওলি মিত্র প্রখ্যাত নাট্য ব্যক্তিত্ব শম্ভু মিত্র ও তৃপ্তি মিত্রের কন্যা। শম্ভু মিত্রও একই ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনিও চেয়েছিলেন, মৃত্যুর পর যত দ্রুত সম্ভব তাঁর শেষকৃত্য যেন সম্পন্ন হয়। অন্ত্যেষ্টির পর যেন সকলকে তাঁর মৃত্যু সংবাদ জানানো হয়। একই ইচ্ছা প্রকাশ করেন শাঁওলি মিত্রও।

ইচ্ছাপত্রে শাঁওলি মিত্র লিখে গিয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পর মানস কন্যা অর্পিতা ঘোষ ও পুত্রতূ্ল্য সায়ক চক্রবর্তী শেষকৃত্যের সমস্ত ব্যবস্থা করবেন। একইসঙ্গে তিনি চেয়েছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পর কোনও ফুলভার যেন তাঁকে বইতে না হয়। সকলের অগোচরে যেন অন্ত্যেষ্টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সেই ইচ্ছাকেই সম্মান জানান তাঁর স্বজনেরা।

তিনি নিজে একজন বিশিষ্ট নাট্য-ব্যক্তিত্ব। পঞ্চম বৈদিক নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি নাটকে অভিনয় শুরু করেন মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়স থেকে। শিশু-শিল্পী হিসেবে অভিনয় করেন বহুরূপী প্রোডাকশনের তুলসী লাহিড়ির “ছেঁড়া তার”-এর বশিরের ভূমিকায় ও “ডাকঘর”-এ অমলের ভূমিকায়।

অভিনয় করেছেন ঋত্বিক ঘটকের “যুক্তি তক্কো আর গপ্পো” ছায়াছবিতে।

তাঁর ১৯৮৩ সালে রচিত এবং অভিনীত নাটক “নাথবতী অনাথবৎ”, বাংলা নাটকের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলীর মধ্যে পড়ে। তাঁর নির্দেশিত অন্যান্য নাটকের মধ্যে রয়েছে “কথা অমৃতসমান”, “বিতত বিতংস”, “পুতুল খেলা”, “রাজনৈতিক হত্যা”, “চণ্ডালী” প্রভৃতি।

১৯৯১ সালে তিনি আনন্দ পুরস্কারে ভূষিত হন “নাথবতী অনাথবৎ”-এর জন্য। সে বছরই পান শিরোমণি পুরস্কার এশিয়ান পেইন্টস এর তরফ থেকে। ২০০৩ সালে ভূষিত হন সংগীত নাটক অ্যাকাদেমি পুরস্কারে। ২০০৬ সালে ভূষিত হন নরওয়ের সংস্কৃতি মন্ত্রকের “দ্য ইবসেন সেন্টেনিয়াল এওয়ার্ড”-এ। ২০০৯ সালে কবি ভারত সরকার দ্বারা পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন।
সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ে যে ক’জন বুদ্ধিজীবি সর্বাগ্রে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখ খুলেছিলেন, শাঁওলি মিত্র তাঁদের মধ্যে অন্যতম।

পশ্চিমবঙ্গের সরকার তাঁকে “বঙ্গ বিভূষণ”(২০১২)সম্মানে ভূষিত করেন। এ ছাড়া সেই সরকার তাঁকে বিভিন্ন সরকারী কর্মকাণ্ডের পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত করেন।

অভিনীত নাটক

বিতত বীতংস
নাথাবতী আনাথবৎ, পুতুলখেলা
একটি রাজনৈতিক হত্যা, হযবরল
কথা অমৃতসমান, লঙ্কাদহন
চণ্ডালী, পাগলা ঘোড়া
পাখি, গ্যালিলিও’র জীবন
ডাকঘর, যদি আর এক বার প্রভৃতি।

তাঁর মৃত্যুতে মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় লেখেন,”বাংলা নাট্যজগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং প্রখ্যাত মঞ্চশিল্পী শাঁওলি মিত্রের প্রয়াণে আমি গভীর ভাবে শোকাভিভূত বোধ করছি।

প্রবাদপ্রতিম শম্ভু মিত্র ও তৃপ্তি মিত্রের কন্যা শাঁওলি মিত্র বাংলা অভিনয় জগতে মহীরুহ ছিলেন। ‘নাথবতী অনাথবৎ’ বা ‘কথা অমৃতসমান’ এর মতো সৃষ্টিকর্ম বাংলার লোকমানসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শাঁওলি মিত্র আমার বহুদিনের সহযোগী ছিলেন। সিঙ্গুর- নন্দীগ্রাম আন্দোলনে তিনি আমার সঙ্গে একসাথে ছিলেন। আমি রেলমন্ত্রী থাকার সময় তিনি আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিলেন। পরে আমরা দায়িত্বে এলে কিছুদিন পর তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি হন এবং দায়িত্বের সঙ্গে মূল্যবান কাজ করেন। বাংলার সরকার তাঁকে ২০১২ সালে বঙ্গবিভূষণ ও ২০১৪ সালে দীনবন্ধু পুরস্কার দেয়।

শাঁওলিদির ইচ্ছাক্রমে তাঁর প্রয়াণের খবর আমাকে শেষকৃত্যের পর দেওয়া হয় ।আমি কিন্তু কাছের মানুষ হিসাবে তাঁকে মনে ধরে রাখলাম। আমাদের বহুদিনের সহকর্মী এবং সুহৃদ হিসেবে তিনি আমাদের মনের মণিকোঠায় থেকে যাবেন।

আমি শাঁওলিদির পরিবার- পরিজন ও অগণিত গুণগ্রাহী কে আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।”

A Bollywood film based on journalist Ayanjit Sen’s reportage

0

✍️By Special Correspondent

This is quite a story! An unreported true version of an Indian journalist who entered Pakistan-Occupied Kashmir through Afghanistan border for a range of stories for a leading global television channel. But once he enters the militant camp, it was all a different ball game. Life and death hanging on a thread, Ayanjit managed to stay in the camp for a few days and what unfolds later is a spine-chilling story and later on it unfolds in his court deposition which seals the fate of the Lashkar-e-Toiba terrorists for attack on the historic Red Fort, years back.

A leading Bollywood production house is going to make a film on Ayanjit Sen’s heroic journalism assignment. When contacted, senior journalist and global digital strategist, Ayanjit Sen, says,” The concept of film on this rel and true story came up during a informal chat with director-duo Jenny-Dipayan and they told me these unreported story will make a great film. Hence, I gave my nod to them.”

The production house sources said work on the script has already begun and a few leading actors including Ajay Devgn are being contacted to play the role of Ayanjit Sen.

“There are several details which I recovered and handed over to our Indian intelligence. Hope all those have come to our country’s help in the next few years,” said Ayanjit.

“Thankfully, I am a hostile environment-trained journalist by former army officers in India and abroad and that helped me to tackle the crisis in PoK to a large extent. It was certainly a great escape but not before doing my bit for the country. For me, I am a hardcore professional but my country comes first,” said Ayanjit, who has officially visited different cities in Pakistan as a journalist once during the Indo-Pak cricket series in 2004.
Mr Sen has worked for a leading international news organizations for several years.

শীতবস্ত্র প্রদান

0


নিজস্ব প্রতিনিধি: হুগলি জেলার ধনিয়াখালি থানার হিরণ্য বাটি গ্রামে রওশন আলী মল্লিক জুনিয়ার হাই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এক মহতী শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান হয়ে গেল।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সুফি পীরবাবা আব্দুস সালাম হুসাইনী সাহেব, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধনিয়াখালি বিধায়িকা ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অসীমা পাত্র ,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও গল্পকার ডক্টর কৌশিক রায়চৌধুরী, তরুণ শিল্পোদ্যোগী জসীম উদ্দিন মন্ডল, হাফেজ রবিউল সাহেব ও বিশিষ্ট চিত্রসাংবাদিক সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক নৌশাদ মল্লিক। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সংস্থার কোষাধক্ষ্য রাজেকা মল্লিক, সিরাজুল ইসলাম, সোমনাথ পাখিরা, ঐন্দ্রিলা পাল , রাজু ভট্টাচার্য । প্রায় দুই শতাধিক অসহায় গরীব মানুষকে কম্বল বিতরণ করা হয়।

বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে ডক্টরেট জয়ন্ত ঘোষ প্রকাশ করলেন বই “দ্য উইনার ইজ এ ড্রিমার”

0

নিজস্ব প্রতিনিধি:ডঃ জয়ন্ত ঘোষ, একজন এনটারপ্রেনর, একাডেমিয়ার আজীবন পৃষ্ঠপোষক তাঁর বই “দ্য উইনার ইজ এ ড্রিমার” প্রকাশ করলেন। সংস্কৃতি ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তি যেমন দেবজিৎ বন্দোপাধ্যায়, দেবশঙ্কর হালদার,সতীনাথ মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে আইসিসিআর এ সম্প্রতি প্রকাশ পেল এই বই। বইটি একটি আত্মজীবনী।লেখকের জীবনের ব্যক্তিগত এবং পেশাগত উভয় দিক এবং প্রতিটি দিক কীভাবে তাঁকে সফলতার সঠিক পথ অনুসরণ করতে প্রভাবিত করেছিল এই নিয়েই মোটিভেশনাল লেখা। ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য সুনির্দিষ্ট কাজের পরিকল্পনা এবং সাফল্যের মন্ত্র, সাফল্যের জন্য কি,কি পদ্ধতি অনুসরণ করবেন এটি পড়লে আন্দাজ পাবেন।
যদি তাকে বর্ণনা করার জন্য তিনটি শব্দে তাঁকে বলা যায় তিনি একজন মোটিভেটর, স্ট্র্যাটেজিস্ট,ফিলাথ্রোফিস্ট।
এই বইটি তাঁর মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা যিনি তাঁর ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিলেন।
এই বইটি তাঁর শৈশব, বাল্যকাল, কলেজ এবং পেশাগত জীবনের একটি বিবরণ, যেখানে তাঁর মায়ের মূল্যবোধ, নির্দেশনা, ভালবাসা এবং স্মৃতি তাঁর নিত্যসঙ্গী ছিল। এটি একটি ছেলের তাঁর মায়ের প্রভাব সম্পর্কে একটি সহজ আখ্যান, সরাসরি হৃদয় থেকে।

জীবন একটি জার্নি, গন্তব্য নয়, যার শেষে আমরা বুঝতে পারি যে প্রতিদিনের আনন্দের ছোট মুহূর্তগুলি এটিকে সার্থক করে তোলে।

ডঃ জয়ন্ত ঘোষ, লেখক একজন সমাজসেবীও। তিনি মানুষকে তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনে আরও উন্নত হতে সাহায্য করেন। প্রায় দুই দশক ধরে, তিনি ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেডের সাথে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন গ্রাহকদের আধুনিক দিনের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সহযোগিতা করে। ২০১৭ সালে ওয়েমার্ক ইনভিন্সিবল ফাউন্ডেশন নামে একটি সামাজিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি অলাভজনক সেকশন-৮, কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেজিস্টার্ড কোম্পানি। তিনি একজন TEDx স্পিকার যেখানে তিনি তাঁর নিজস্ব মৌলিক বিষয়গুলি উপস্থাপন করেছেন এবং শেয়ার করেছেন যা তাঁর ডক্টরেট গবেষণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বইটি অনলাইন স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।

“আমি একদম সিঙ্গল”:পায়েল

✍️By Ramiz Ali Ahmed

তার জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে।মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই ক্লাসিক্যাল নৃত্যের তালিম নেন।বহু জায়গায় নাচের পারফর্ম করতেন। বারাসত কালীকৃষ্ণ গার্লস হাইস্কুল থেকে স্কুলিং।তারপর জলপাইগুড়ি থেকে বি ফার্মা করেন।এরপর কলকাতায় ফার্মাকোলজিতে মাস্টার্স করতে আসা।ডাব্লিউবিইউটি থেকে মাস্টার্স করার সময় থেকে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়।এই সময় কলকাতার একটি অভিনয় শিক্ষাকেন্দ্র থেকে অভিনয়ের তালিম নেন।মাস্টার্সের পর তিনি বেশ কিছু সময় একটি বেসরকারি কলেজে অধ্যাপনাও করেছেন।এই সময় তিনি অভিনয়ের জন্য
অডিশন দিতে থাকেন বিভিন্ন জায়াগায়।সুযোগ পেলেন কালারস বাংলায় ‘মা দুর্গা’ ধারাবাহিকে।অভিনয় করলেন বেশ কয়েকটি ধারাবাহিকে।

এই সময়েই সুযোগ আসে ‘ভানু’ বলে একটি ফিচার ফিল্মে।এরপর অভিনয় করলেন রাজ মুখোপাধ্যায়ের ‘ফাঁস’ ছবিতে।তারপর রাজ মুখোপাধ্যায়েরই ‘চল কুন্তল’-এ অভিনয় করেন।তিনি বাংলা,তেলেগু,তামিল, মালায়ালম,হিন্দি ছবির নায়কা পায়েল মুখোপাধ্যায়।

২০১৭ সালে সোহম চক্রবর্তীর সঙ্গে ‘দ্যাখ কেমন লাগে’ ছবিতে তিনি অভিনয় করে সকলের নজরে পড়েন।২০১৮ সালে সত্রাজিৎ সেনের পরিচালনায় ‘মাইকেল’ এর পর তিনি পাড়ি দেন বাংলাদেশ।সেখানে তার প্রথম ছবি ছিল ওয়াজেদ আলী সুমনের ‘ক্যাপ্টেন খাঁন’।এরপর তিনি অভিনয় করেন ফখরুল আরেফিন খানের ঢালিউড ছবি ‘গন্ডি’ এবং অনন্য মামুনের পরিচালনায় ‘মেকআপ’।

তিনি মালায়ালম ছবি ‘ইভা’তে নামভূমিকায় অভিনয় করেন।ছবিতে তার অভিনীত চরিত্রটি উচ্চ প্রশংসিত হয়।ছবিটি বহু ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে সেরা ছবি হিসেবে নির্বাচিত হয়।

সম্প্রতি তিনি অভিনয় করলেন ‘শ্রীরঙ্গপুরম’ নামের তেলেগু ছবিতে।নাগরাজ গরি প্রযোজিত শ্রীনু গারু পরিচালিত এই ছবির নায়িকা হতে পারে উচ্ছসিত পায়েল।তিনি ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করেছেন বিনায়ক দেশাই, বৈশনবী সিং,নাগরাজ প্রমুখ।পায়েল জানালেন,”ছবিটি হার্ডকোর কমার্শিয়াল ছবি।অ্যাকশন, নাচ,গান,ফ্যামিলি ড্রামা সব আছে ছবিটিতে।”

পায়েল অভিনয় করেছেন বেশ কয়েকটি হিন্দি ছবিতেও।সঞ্জয় মিশ্র, চন্দন রায় সন্যালের সঙ্গে অভিনীত ‘Woh 3 Din’ ছবিটি ফ্যালকন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল,লন্ডন-এ সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে।পায়েল কথায় কথায় বললেন,”ছবিটি করার সময় আমি সঞ্জয় মিশ্র, চন্দন রায় সান্যালের মতো অভিনেতাদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি।একটি হিন্দি ওটিটি তে তিনি ‘লাল মির্চ ইন জয়পুর’ নামে একটি হিন্দি অরিজিনাল ছবিতে রাজু খের ,আদিত্য প্রতাপ সিং দের সঙ্গে অভিনয় করেছেন।ছবিটির জন্য তিনি বাইক চালানো,গাড়ি চালানো,ঘোড়া চালানো শিখেছেন।এখন তিনি শুটিং এ ব্যস্ত ‘গিরগিট’ নামের একটি হিন্দী ছবিতে।’শহরের উপকথা’ খ্যাত বাপ্পার পরিচালনায় ‘গিরগিট’ একটি সাসপেন্স থ্রিলার ছবি ছবিতে পায়েলকে দেখা যাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।

ছবি ছাড়াও তিনি ক্লিক-এ ‘কালিম্পঙ ক্রাইমস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে।

মুক্তির অপেক্ষায় আছে ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্তর ‘আগন্তুক’,মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘অপেরা’,’ম্যাক্সের ডায়েরী’ ইত্যাদি।

পায়েলের স্বপ্ন বিভিন্ন ভাষায় তিনি বিভিন্ন চরিত্রে তিনি অভিনয় করতে।
তিনি তো অনেকের হার্টথ্রব কিন্তু তার মনে কে আছে?এই প্রশ্ন করতেই অভিনেত্রী মিষ্টি হেসে জানালেন,”আমি একদম সিঙ্গেল।এখন কেরিয়ার নিয়েই ব্যস্ত।

পায়েল সুন্দরী থাকার রহস্য প্রসঙ্গে বললেন,”(হেসে)আসলে এখন নিজের মনের মতো চরিত্রে অভিনয় করতে পারছি তার রিফ্লেক্ট হয়তো মনে পড়ছে।”

আজ অভিনেত্রী পায়েল মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন।আমাদের আনন্দ সাংবাদ লাইভ-এর পক্ষ থেকে পায়েলের জন্য রইলো একরাশ শুভেচ্ছা।তার আগামীদিনগুলো আরো সুমধুর হোক।

ছবি:বিশ্বজিত সাহা